বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২০
দেশজুড়ে ডেস্ক
২৮ জুন ২০২০
১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
সাদুল্যাপুরের আসামীদের ঘড়-বাড়ীতে হামলা ও লুটপাট চালিয়ে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাটের অভিয

২৮ জুন ২০২০ ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:-

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার কোনাপাড়া গ্রামে বসত বাড়ীর ভিটার সীমানার সঠিক মাফযোগ নিয়ে আনোয়ারুল গং ও আঃ হান্নান মন্ডল গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে মনোমালিন্যে চলে আসছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ১৪ মার্চ রফিকুল ইসলাম মিস্ত্রি দ্বারা বসতভিটায় ওয়াল ঘর স্থাপন করার জন্য ভিক্তি দেওয়ার সময় বিবাদী আঃ হান্নান মন্ডল গংরা বাধা প্রদান করে। বাধা দেওয়ার একপর্যায়ে বিবাদী আঃ রাজ্জাক (৪৫) এর সঙ্গে কথাকাটাকাটির সময় উক্ত রাজ্জাক মিয়ার মাথায় পিছনে ও সামনে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে আহত রাজ্জাক মিয়াকে চিকিৎসার জন্য পাশ্ববর্তী রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে ও চিকিৎসকের পরামর্শে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আঃ রাজ্জাক মৃত্যুবরণ করেন। সৃষ্ট ঘটনার পর আনোয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে সাদুল্যাপুর থানায় আঃ হান্নান মন্ডল (৩২) আকুল মিয়া (৩০), কাউছার মিয়া (২৩), কামরু মন্ডল (২২), মধু মন্ডল (৪১) ও হযরত আলী মন্ডল (৫৩) কে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-২২। মামলা ও মৃত্যুর খবরে এজাহার নামীয় আসামীগণ আত্মগোপনে করে। মামলা দায়েরের পর বাদী আনোয়ারুল গংরা আসামী আঃ হান্নান মন্ডলসহ অপর আসামীদের বাড়ীঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক লুটতরাজসহ স্বর্ণ, হলুদ, ধান, চাল, নগদ টাকা, বাজাজ সিডি-১০০ লাল রঙ্গের মোটরসাইকেল এবং ক্ষেতের ফসলসহ প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার পর থেকে এজাহার নামীয় আসামীগণ থানায় অভিযোগ দেওয়ার চেষ্টা করলেও আজ অবধি অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি।

তবে এলাকাবাসী ও মামলার এজাহার নামীয় আসামীগণ জানান, আনোয়ারুল ইসলাম গংরা থানায় মামলা দায়েরের পর আমরা গ্রেফতার এড়াতে বাড়ীতে না থাকার সুযোগে লুটতরাজ চালিয়ে আমাদের ৩০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে গেছে। আমরা এ বিষয়ে থানায় মামলা করতে গেলেও আমাদের মামলা গ্রহন করা হয়নি। ৩০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাটের ঘটনায় আমরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, আনোয়ারুল ইসলাম গংরা থানায় মাত্র ১০ হাজার টাকা ক্ষতিসাধনের মামলা দিলেও পরবর্তীতে আঃ রাজ্জাক মারা যাওয়ার পর গাইবান্ধা পেনাল কোড আইনের ৩০২ ধারা সংযোজনের জন্য একটি আবেদন করেন গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার।

সম্পর্কিত খবর