মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২০
জাতীয় ডেস্ক
১৬ জুলাই ২০২০
১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
শাহেদের কাছাকাছি কয়েকবার পৌঁছানো সম্ভব হলেও তাকে গ্রেফতার করা যায়নি-র‍্যাবের এডিজি
শাহেদের কাছাকাছি কয়েকবার পৌঁছানো সম্ভব হলেও তাকে গ্রেফতার করা যায়নি-র‍্যাবের এডিজি

১৬ জুলাই ২০২০ ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রতারক শাহেদকে নয় দিন ধরে অনুসরণ করে র‍্যাব। এরপরেই তাকে গ্রেফতারে সক্ষম হয় তারা।  র‍্যাবের এডিজি অপারেশন কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে পুরাতন বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের জানান, ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তনের কারণে মোহাম্মদ শাহেদের কাছাকাছি কয়েকবার পৌঁছানো সম্ভব হলেও তাকে গ্রেফতার করা যায়নি।   

র‌্যাবের মহাপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, মামলা হওয়ার পরপরই সাহেদ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আত্মগোপনের চেষ্টা চালান। ঢাকা থেকে তিনি কুমিল্লা, কক্সবাজার ও সাতক্ষীরায় গিয়েছেন। গত সাত–আট দিনের মধ্যে শাহেদ একাধিকবার ঢাকায়ও এসেছেন। কখনো নিজস্ব গাড়িতে যাতায়াত করেছেন, কখনো ভাড়া গাড়ি, কখনো ট্রাকে আবার কখনো পায়ে হেঁটেও এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত করেছেন।

বুধবার দুপুরে র‌্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহাপরিচালক সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘গত ৯ দিন ধরে আমরা তাকে ফলো করেছি। কিন্তু তিনি ঘন ঘন জায়গা পরিবর্তন করছিলেন। এজন্য কয়েকবার আমরা তার খুব কাছাকাছি যাওয়ার পরও ধরতে পারিনি। এছাড়া সে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও ফেলে দিলেছিল। অবশেষে বুধবার ভোররাতে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।’  

র‌্যাব আরো জানায়, করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্টের মামলা সহ ৫৯ টি মামলা রয়েছে শাহেদের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে র‌্যাবের গাড়িবহরটি সদর দপ্তরে পৌঁছায়। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে তেজগাঁও পুরাতন বিমাবন্দর থেকে এক গাড়িতে করে তাকে নিয়ে রওয়ানা দেয় র‌্যাব।

এর আগে, ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্তের দেবহাটা থানার সাকড় বাজারের পাশে অবস্থিত লবঙ্গপতি এলাকা থেকে নৌকায় পালিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ৬ জুলাই করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে র‍্যাব উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়। এরপর রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয়া হয়। ৭ জুলাই করোনা পরীক্ষা না করেই সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব।

মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদ করিমকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এজাহারে। এরপর থেকেই পালিয়ে ছিলেন সাহেদ। তাকে গ্রেফতারে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় র‌্যাব। অবশেষে সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় তারা।সূত্র-somoytv

সম্পর্কিত খবর