মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২০
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
২৯ জুলাই ২০২০
৫:৫৬ অপরাহ্ণ
নতুন গ্রহ আবিষ্কার করল ভারতীয় দুই কিশোরী
নতুন গ্রহ আবিষ্কার করল ভারতীয় দুই কিশোরী-thetopnews24.com

২৯ জুলাই ২০২০ ৫:৫৬ অপরাহ্ণ

ভারতের দুই কিশোরী মহাকাশ বিজ্ঞানী পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াই টেলিস্কোপের সাহায্যে নেওয়া চিত্রের মাধ্যমে তারা এই আবিষ্কার করে। মঙ্গলবার এ খবর প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

১৪ বছরের ওই দুই কিশোরী সেখানে মহাকাশ বিষয়ে প্রশিক্ষাণ নিচ্ছেন। ভারতের বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস ইন্ডিয়াতে তারা টেলিস্কোপের ছবি পর্যবেক্ষণ করে কিভাবে গ্রহাণুর সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য জানা যায় সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

ওই দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে বৌহিহি ভেকারিয়া রয়টার্সকে জানান, আমরা এটিকে প্রাথমিকভাবে পৃথিবীর কাছে একটি বস্তু হিসেবে চিহ্নিত করি। ‌‌অন্তত ১০ মিলিয়ন বছর পর এটি পৃথিবীর মতই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এটি চাঁদের মতো নির্দিষ্ট কক্ষপথে বিচরণ করছে। এর নামকরণের জন্য এখনো আমরা অপেক্ষা করছি। বড় হয়ে বড় হলে নভোচারী হতে চান তিনি।

স্পেস ইন্ডিয়ার জানায়, আনুষ্ঠানিকভাবে এর নামকরণ করা হতে পারে এইচএলভি ২৫১৪ নামে। তবে সেটির জন্য নাসা এর কক্ষপথ সম্পর্কে নিশ্চিত করতে হবে।

বৌহিহি ছাড়া অন্য যে কিশোরী গ্রহাণুটির আবিষ্কারের সঙ্গে জড়িত তার নাম রাধিকা লাখানি। লাখানি বলেন, “আমি যেন পড়াশোনায় বেশি মনোযোগ দিতে পারি, সেজন্য আমার বাড়িতে কোনও টেলিভিশনও নেই।”

তাদের আবিষ্কৃত গ্রহাণুটি বর্তমানে মঙ্গল গ্রহের নিকটবর্তী অবস্থান করেলেও প্রায় দশ মিলিয়ন বছরের মধ্যে এর কক্ষপথটি পৃথিবীকে অতিক্রম করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এসময় পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, আইএএসসির পরিচালক জে প্যাট্রিক মিলার দুই স্কুলশিক্ষার্থীকে পাঠানো এক ইমেইলে তাদের আবিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ভারতের গুজরাটের সুরাটের বাসিন্দা ওই দুই কিশোরী নাসার বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুসন্ধান সহযোগিতা (আইএএসসি) ও স্পেস ইন্ডিয়ার যৌথ পরিচালনায় গ্রহাণু অনুসন্ধান অভিযানের অংশ হিসাবে এ কাজ হাতে পান।

গ্রহাণু ও ধূমকেতুরা পৃথিবীর জন্য একটি সম্ভাব্য বিপদ সংকেত নিয়ে আসে। বিজ্ঞানীরা প্রতি বছর এই ধরনের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক আবিষ্কার করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে আইফেল টাওয়ারের চেয়ে ভারী একটি গ্রহাণু মধ্য রাশিয়ায় আছড়ে পড়েছিল। যার ফলে এক হাজারেরও বেশি লোক আহত হয়েছিল।সুত্র-সময়

সম্পর্কিত খবর